,


ওজন কমাতে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন

ওজন কমাতে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন!

ওজন কমানো মানেই কিন্তু শুধু ডায়েট আর ব্যায়াম নয়। ওজন কমানো একটি সম্পূর্ণ জীবনাচরণ। শুধু খাবার আর একটু হাঁটাচলা দিয়ে ওজন কমানো একদিকে যেমন কঠিন, তেমন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে যাওয়া ওজন বাড়তে থাকে খুব দ্রুত। ওজন কমে গেলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই খাবার বাড়িয়ে দিতে চাই। অভ্যাসও বদলে ফেলার প্রবণতা থাকে। তাই ওজন কমাতে চাই কিছু সুনির্দিষ্ট চমৎকার অভ্যাস।

খুব বেশি ক্ষুধার্ত না হওয়া
খুব বেশি ক্ষুধার্ত হয়ে খাওয়ার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই। অফিস বা ক্লাসের ফাঁকে খাওয়ার সময় নেই একদম। সঙ্গে কেউ নেই বা আশপাশে পছন্দমতো খাবারের দোকান নেই, এ ধরনের সমস্যায় সহজেই সকাল, দুপুর বা রাতের খাবার বাদ দেন অনেকে, যা একদিকে স্বাস্থ্যের জন্য ভয়ংকর ঝুঁকিপূর্ণ অন্যদিকে এতে ওজন বাড়তে থাকবে দ্রুত।

সঠিক ব্যায়াম
ব্যায়াম সম্পর্কে দুটো সম্পূর্ণ ভুল ধারণা আছে। প্রথমটি, অনেকেই ভাবেন ব্যায়াম একটা করলেই হয়। সে হাঁটা, দৌড়ানো, সাইক্লিং, সাঁতার—যা-ই হোক। দ্বিতীয়ত, ব্যায়াম করে ওজন কমালে সহজে সেই ওজন আর বাড়বে না। এই দুটো ধারণাই ভুল। একবার ব্যায়াম করে সেটি ছেড়ে ইচ্ছেমতো খেলে ওজন বাড়বে। আর যেকোনো ধরনের ব্যায়াম করলেই ওজন কমবে ব্যাপারটি এমনও নয়। আপনার ওজন, শারীরিক গঠন, ওজন আর সুস্থতার ওপর নির্ভর করছে কী ধরনের ব্যায়াম করলে ওজন কমবে এবং কমে যাওয়ার পর কী করতে হবে।

প্রচুর পানি পান করুন
সুস্থ থাকার মূল মন্ত্র হচ্ছে প্রচুর পানি পান করা। আপনি যে ধরনের খাবার খাচ্ছেন, সেটি ভালো করে চিবিয়ে খাওয়াও কমে যাওয়ার পর বর্তমান ওজন ধরে রাখার জন্য উপকারী।

সব রঙের সবজি
মাছ-মাংস ছাড়া খাওয়ার কথা কল্পনাও করতে পারেন না, এমন মানুষের অভাব নেই। সুস্থ থাকতে খেতে হবে সব ধরন ও রঙের খাবার। সব ধরনের সবজি খাওয়ার অভ্যাস কমিয়ে দিতে পারে আপনার ওজন। সুস্থও থাকবেন।

কোমল পানীয় না খাওয়া
ওজন কমে গেলে মানুষ যে কয়টি খাবার আবার খেতে শুরু করে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে কোমল পানীয়। অথচ কোমল পানীয় একদিকে যেমন বাড়িয়ে দেবে ওজন, অন্যদিকে তৈরি হবে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যাও।

খাবারের হিসাব রাখুন
সারা দিন কী খাচ্ছেন, সেটির একটি হিসাব রাখুন। খুব ভালো হয় ডায়েরি বানিয়ে তাতে লিখে রাখতে পারলে। সেটি সম্ভব না হলে চেষ্টা করুন সারা দিনের ক্যালরি হিসাব করে খেতে।

সময়মতো সময় নিয়ে খান
খুব বেশি তাড়াহুড়া করে খেলে খাওয়া কম-বেশি হয়ে যায়। আবার সকালের খাবার দুপুরে, দুপুরের খাবার রাতে খেলে তাতেও সৃষ্টি হয় নানা জটিলতা। তাই চেষ্টা করুন সময়মতো খেতে। তাড়াহুড়া না করে সময় নিয়ে খাবার খেতে।

নিজে রান্নার অভ্যাস করুন
নিজে রান্না করলে খাওয়ার প্রতি একধরনের আগ্রহ সৃষ্টি হবে। তাতে একদিকে যেমন খেতে ভালো লাগবে, তেমনি আপনি কী খেতে চান এবং কতটা খাবেন, সেটা হিসাব করতে পারবেন সহজেই।

সূত্র: হেলথ ডটকম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট দেখুন