,


মেহেরপুরে হানাদারদের দোসরদের নিয়ে শান্তি কমিটি (পিস কমিটি)গঠনঃ

মেহেরপুরে হানাদারদের দোসরদের নিয়ে শান্তি কমিটি (পিস কমিটি)গঠনঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পীঠস্থান মেহেরপুরের আবালবৃদ্ধবণিতা যখন স্বাধীন বাংলাদেশের রাহুমুক্তির জন্য কায়মনোবাক্যে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছে আর যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বান্তঃকরণে সাহায্য সহযোগিতা করছে তখন একদল কুলাঙ্গার হানাদারদের দালাল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে তথাকথিত শান্তি কমিটি বা পিস কমিটি গঠন করে১৯৭১-এর মে মাসের শেষের দিকে হানাদার বাহিনীর মেহেরপুর শিবিরের প্রধান ক্যাপ্টেন আব্দুল লতিফের তত্ত্বাবধানে মেহেরপুর মহকুমা শান্তি কমিটি গঠন করা হয়এর চেয়ারম্যান হয় দালাল সাবদার আলী বিশ্বাস আর সেক্রেটারি হয় আব্দুল মতিন সে একজন উকিলতাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধকে ভারত সৃষ্ট একটা গণ্ডগোল এবং মুক্তিযোদ্ধাদের দুষ্কুতকারী হিসেবে চিহ্নিত করা এবং তাদের মতো দালালদের সংগঠিত করে রাজাকার বাহিনী তৈরী করা যারা মুক্তিযোদ্ধাদের মোকাবেলা করবে

এই শান্তিকমিটির দালাল আর রাজাকাররা মেহেরপুরের অসংখ্য নিরীহ নাগরিককে হত্যা করেছেএরা মেহেরপুর মহকুমা প্রশাসকের দপ্তরের আমতলায় ট্রেজারির কাছে এবং মেহেরপুর কলেজের পিছনে দুটি বধ্যভূমি সৃষ্টি করেছিলনভেম্বর মাসের শেষ দিন পর্যন্ত রাজাকারদের সহায়তায় হানাদাররা শত শত বাঙালীকে হত্যা করে ঐ দুই বধ্যভূমিতে মাটি চাপা দিয়ে রাখেমেহেরপুর হানাদারমুক্ত হবার পরপরই মেহেরপুর কলেজের পিছন থেকে শহীদ বাঙালীদের পবিত্র দেহাবশেষ তথা কংকাল উদ্ধার করে গোরস্থানের কাছেই একস্থানে সমাধিস্থ করা হয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট দেখুন