,


ভূগোল কে গতিশীল বিজ্ঞান বলে কেন?

ভূগোল কে গতিশীল বিজ্ঞান বলে কেন?

ভূগোল বিষয় টি উত্থানের পর থেকে ও মানব সংস্কৃতির বিভিন্ন পর্যায়ে ভূগোলের বিষয়বস্তুর পরিবর্তন হয়েছে। আজ যেমন ইলেক্ট্রিক শিল্প, আনবিক শক্তি,অচিরাচরিত শক্তি, বিভিন্ন গ্রহ ও নক্ষত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।যা ১০০ বছর আগেও এই বিষয়ে ভূগোলে আলোচনা করা হতনা।

আমরা জানি যতদিন অতিবাহিত হচ্ছে পৃথিবী সহ অন্যান্য গ্রহ নক্ষত্র তথা বিশ্ব ব্রম্ভান্ড ক্রমশ বদলে যাচ্ছে। আর এই পরিবর্তনের সাথে বদলে যাচ্ছে মানুষের সামাজিক,অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সাংস্কৃতিক আচরণ। এই সমস্ত বিষয় গুলি ভূগোলের আলোচনার অন্যতম ক্ষেত্র। যা তাকে গতিশীলতা দান করেছে।

মানুষের বিভিন্ন ধরনের কাজকর্মের উপর প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রভাব কতটুকু তা বিশ্লেষণ করার ব্যাপারে অর্থনৈতিক ভূগোল তথা ভূগোল সবসময় চেষ্টা করে। এখানে উল্লেখ করা যায় যে মানুষের কাজকর্মের ধারা সদা পরিবর্তনশীল, তেমনি ওই কাজকর্মকে ব্যাখ্যা করার জন্য উদ্ভুত বিজ্ঞান তথা ভূগোল ও গতিশীল প্রকৃতির।

ভূগোলের একটি শাখা রয়েছে যার নাম অর্থনৈতিক ভূগোল যেখানে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তির প্রভাব বিশ্লেষনের সুযোগ রয়েছে। বস্তুত উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি,কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলন, তথ্য ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিপ্লব, জি.আই.এস ও রিমোট সেনসিং পদ্ধতির প্রয়োগ আধুনিক কালে সমাজ ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছে। ভূগোল শাস্ত্রে এই বিষয় গুলিও অন্তর্ভূক্ত হওয়ার ফলে ভূগোল আরো গতিশীল হয়েছে।

এছাড়াও দৈনন্দিন ক্ষেত্রে ভূগোল শাস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমানে একজন সাধারন মানুষ মানচিত্রের ব্যাবহার করে তার নিজের প্রয়োজনীয় তথ্যের খুটিনাটি জানতে পারছে যা ভূগোল শাস্ত্রের জন্যই সম্ভব হয়েছে।তাছাড়াও আধুনিক গবেষনাগারে ভূগোলবিদরা এই বিষয় টিকে নিয়ে নিরন্তর চর্চা করে চলেছেন আর আবিস্কার করছেন ভূগোলের অনেক উদ্ভাবনী ও অজানা বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট দেখুন