,


লেটের স্থাপত্য ও ঐতিহ্য: ক্বীন ব্রীজ এবং আলী-আমজাদের ঘড়ি

লেটের স্থাপত্য ও ঐতিহ্য: ক্বীন ব্রীজ এবং আলী-আমজাদের ঘড়ি

সিলেটের অন্যতম দর্শনীয় এবং ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে এই দুটি স্থাপনা খুব পরিচিত। সুরমা নদীর ওপর নির্মিত ক্বীন ব্রীজ এবং আলী-আমজাদের ঘড়ি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসাবেও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ক্বীন ব্রীজটিকে সিলেট শহরের প্রবেশদ্বার বলা হয়। ১৯৩৬ সালে আসামের শিক্ষামন্ত্রী খান বাহাদুর আবদুল হামিদ এবং আসামের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য বাবু প্রমোদ চন্দ্র দত্তের উদ্যোগে ব্রিজটি তেরি হয়। এই ব্রীজটির নামকরণ করা হয় আসাম প্রদেশের গভর্ণর মাইকেল ক্বীনের নামানুসারে ।

ব্রীজ নির্মাণে তৎকালীন সময়েই ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৫৬ লাখ টাকা। ব্রীজের পাশেই আরেক স্থাপনা আলী-আমজাদের ঘড়ি। ক্বীন ব্রিজের ডান পাশে সুরমা নদীর তীরে এই ঐতিহাসিক ঘড়িঘরটি নির্মাণ করেন সিলেটের কুলাউড়ার পৃথিম পাশার জমিদার নবাব আলী আমজাদ খান। লোহার খুঁটির ওপর ঢেউটিন দিয়ে সুউচ্চ গম্বুজ আকৃতির ঘরের উপর একটি বড় ঘড়ি। নির্মানের পর থেকেই ঘড়িটি আলী আমজাদের ঘড়িঘর নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৮৭৪ সালে যখন ঘড়ির অবাধ প্রচলন ছিল না তখন এই ঘড়ি নির্মিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট দেখুন